শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

☻সংজ্ঞাঃ নদীর জলস্রোতের সাথে বাহিত শিলাখন্ডগুলি ঘুরতে ঘুরতে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় নদীবক্ষে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রায় গোলাকার গর্তের সৃষ্টি করে । এদের মন্থকূপ (Pot holes) বলে ।

উদাঃ হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত নদ-নদীগুলির নদীবক্ষে অসংখ্য মন্থকূপ বর্তমান ।

উৎপত্তিঃ পার্বত্য প্রবাহে নদীবাহিত প্রস্তরখন্ডগুলি অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় নদীখাতের সাথে সংঘর্ষের ফলে নদী ক্ষয়সাধন করে । এমতাবস্থায় নদীবাহিত শিলাখন্ডগুলি জলস্রোতে বাহিত হয়ে ঘুরতে ঘুরতে অগ্রসর হয় এবং সেগুলি জলস্রোতের সাথে ঘর্ষণের ফলে নদীখাতে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এইসব ক্ষুদ্রাকৃতি গর্তের মধ্যে ঘূর্ণীর সৃষ্টি হয় এবং জলের সাথে থাকা শিলাখন্ডগুলি এইসকল গর্তের মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে গর্তকে ক্ষয় করে ক্রমশ গভীরতর করে তুলতে থাকে । এর ফলে একসময় গর্তের আকার বেড়ে হাঁড়ির মতো আকৃতিপ্রাপ্ত হয়ে মন্থকূপ সৃষ্টি হয় ।

বৈশিষ্ট্যঃ মন্থকূপ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) মন্থকূপ মূলত খরস্রোতা নদীর উচ্চ প্রবাহে পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় ।
খ) এগুলি নদীখাতকে আরও গভীর করে তোলে ।
ঘ) এরা মূলত নদীর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় ।
ঙ) মন্থকূপের আকৃতি ও সংখ্যা নির্ভর করে নদীর জলস্রোতের বেগ, বাহিত শিলাখন্ডের আকৃতি ও পরিমান, নদীখাত গঠনকারী শিলার প্রকৃতি প্রভৃতির উপর ।
চ) মন্থকূপ দেখতে সাধারণত অনেকটা বর্তুলাকার বা প্রায় গোলাকার হয় ।

Related Posts

2 thoughts on “মন্থকূপ (Pot holes):

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *